Saturday, 13 August 2016

Smart people do not make that mistake ever again

যে ১০ ভুল স্মার্ট মানুষ কখনোই দ্বিতীয়বার করে না



জীবনের নানা ক্ষেত্রে ভুল হওয়াই স্বাভাবিক। তবে এসব ভুল একবার করার পরেই আমাদের সতর্ক হয়ে যাওয়া উচিত। একটি ভুল যদি বারবার হয় তাহলে তা স্বাভাবিক নয় বরং অস্বাভাবিকই বলা যায়। এ লেখায় থাকছে তেমন কয়েকটি ভুল। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফোর্বস।

১. অন্ধভাবে কোনো বিষয় বিশ্বাস
কোনো কোনো মানুষ তাদের কথার ফুলঝুরি প্রয়োগ করে নানা বিষয়ে তাদের নিজের গুণকীর্তন করে। আর এসব দেখে অনেকেই অন্ধভাবে তাকে বিশ্বাস করতে থাকে। এ বিষয়টি যদি ভুল বলে প্রমাণিত হয় তাহলে বোকা মানুষেরা এ ভুল আবার করতে উদ্যোগী হয়। যদিও স্মার্ট মানুষ এ ভুল দ্বিতীয়বার করে না।
২. ভিন্ন ফলাফলের আশায় একই কাজ বারবার করা
একই কাজ বারবার করলে তা একই ফল দেবে, এটাই স্বাভাবিক। আর এক্ষেত্রে ভিন্ন ফলের আশা করা বোকামি। তাই বুদ্ধিমান মানুষেরা একই কাজ বারবার করে ভিন্ন ফলের আশা করে না।
৩. পরিতৃপ্তি নিতে ব্যর্থতা
ধীরে ধীরে কোনো একটি বইয়ের শেষ দৃশ্য পর্যন্ত পড়লে যেমন পরিতৃপ্তি পাওয়া যায় তা শর্টকাট উপায়ে শেষ করে পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে হঠাৎ শেষ দৃশ্যে চলে গেলে তা এক ধরনের ব্যর্থতা তৈরি করে। আর স্মার্ট মানুষের উচিত এমন ব্যর্থতা এড়িয়ে চলা।

৪. বাজেট ছাড়া কাজ
কোনো কাজে নামার আগেই সে কাজের বিস্তারিত তথ্য জেনে রাখা উচিত। এসব তথ্য জানা না থাকলে তা কাজটি সমাধান করতে সমস্যা তৈরি করে। আর এ ধরনের ব্যর্থতা একবার হলেও তা যেন বারবার না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখে স্মার্ট মানুষেরা।
৫. বৃহত্তর দৃষ্টিতে দেখা
কোনো বিষয়ে একপাশ থেকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করলে তাতে সম্পূর্ণ বিষয়টির সত্যতা জানা যায় না। আর এ বিষয়টি অনেকেই ভুলক্রমে করে থাকেন। যদিও স্মার্ট মানুষের কাজ এমন ভুল একবার হলেও যেন বারবার না হয় সেদিকে লক্ষ রাখা।
৬. হোমওয়ার্ক বাদ দেওয়া
শিক্ষা জীবনের মতোই কর্মজীবনেও হোমওয়ার্কের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আর এ প্রয়োজনীয়তা মেটাতে না পারলে কোনো প্রকল্পে ব্যর্থতা আসতে পারে। এক্ষেত্রে স্মার্ট মানুষের কাজ দ্বিতীয়বার এ ভুল না করা।
৭. নিজে যা নয়, তা হওয়া
প্রত্যেক মানুষেরই একটি নিজস্ব সীমাবদ্ধতা রয়েছে। নিজের এ সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে তোলার চেষ্টা করা যায় কিন্তু তা কাটিয়ে তোলার আগেই অনুরূপ ভান করা মোটেই ভালো নয়। এটি আপনাকে ভুলভাবে উপস্থাপন করতে পারে। আর স্মার্ট মানুষ কখনোই এ ভুল করে না।
৮. সবাইকে খুশি করা
একজন মানুষের পক্ষে সবাইকে খুশি করা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে নিজে ন্যায়ের পথে থাকলেই চলে। তবে অনেকে সবাইকে খুশি করতে গিয়ে বিপাকে পড়ে। আর স্মার্ট মানুষ সহজেই বিষয়টি বুঝতে পেরে এ ভুল দ্বিতীয়বার করে না।
৯. অবস্থার শিকার হওয়া
কোনো বিরূপ পরিস্থিতিতে মানুষ পড়তে পারে যেখানে অবস্থার শিকার হয়ে যেতে হয়। তবে এ ধরনের পরিস্থিতি যেন আর না হয় সেদিকে নজর থাকে স্মার্ট মানুষের।
১০. কাউকে পরিবর্তনের চেষ্টা করা
মানুষের স্বভাব পরিবর্তন করা অনেকটা অরণ্যে রোদনের মতোই কাজ। যতই চেষ্টা করুন একজন মানুষের স্বভাব পরিবর্তন করতে পারবেন না, যদি তিনি নিজে চেষ্টা না করেন। আর তাই স্মার্ট মানুষ অন্যের স্বভাবের পরিবর্তনের চেষ্টা না করে তার বদলে অন্য কোনো কাজে মনোযোগী হয়।


Find out the answers of the two questions before taking a job

চাকরি নেওয়ার আগে দুটি প্রশ্নের উত্তর জেনে নিন

গুগলের এক্সিকিউটিভ আইভি রোস গুগলে যোগ দেন ২০১৪ সালে। গুগলের গোপনীয় ওয়্যারেবল বিভাগের প্রধান হিসেবে জয়েন করার আগে তিনি খেলনা নির্মাতা ম্যাটেল ও পোশাক জায়ান্ট গ্যাপ-এ কর্মরত ছিলেন। আইভি জানান, নতুন কোনো প্রতিষ্ঠানে জয়েন করার আগে আপনার উচিত হবে নিজেকে দুটি প্রশ্ন করা। এ প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর পাওয়া গেলে তবেই নতুন প্রতিষ্ঠানে জয়েন করা উচিত হবে। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।
সম্প্রতি ফ্যাশন ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজিতে তিনি নতুন গ্র্যাজুয়েটদের উৎসাহ দিতে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি জানান, তার ক্যারিয়ারের শুরু ছিল ভিন্ন ধরনের। তিনি জুয়েলারি ডিজাইনার হিসেবে কাজ করেছেন। বিশ্বখ্যাত নানা জাদুঘরে তার কাজ স্থান পেয়েছে। আর এ কারণে তার সিভি দেখলে বহু মানুষই অবাক হন।
বিভিন্ন ধরনের কাজের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা থাকায় তাকে অনেকেই বিচ্ছিন্ন ক্যারিয়ারের বলে মনে করতে পারেন। যদিও তার ক্যারিয়ারের সবগুলো কাজই তাকে একজন শিল্পস্রষ্টা হিসেবে তুলে ধরে। আর এ বিষয়টিকে তিনি অত্যন্ত গুরুত্ব দেন।
নতুন কোনো চাকরি নেওয়ার আগে তিনি নিজেকে দুটি প্রশ্ন করেন। এ প্রশ্নগুলোর উত্তর সন্তোষজনক হলে তবেই তিনি চাকরি নেন। প্রশ্নগুলো হলো-

১. আমি নতুন কোন বিষয় শিখতে পারব?
২. আমি যে কাজটি সবচেয়ে ভালো পারি, নতুন চাকরিতে সেজন্য কি আমাকে নিয়োগ করা হচ্ছে?

ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই যে কোনো প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে হলে এ দুটি প্রশ্নের উত্তর জেনে নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন আইভি। আর এক্ষেত্রে যে প্রতিষ্ঠান ভালো হবে তাদের চাকরিই গ্রহণ করা উচিত।
আইভি তার ক্যারিয়ার শুরু করেন ২০ বছর বয়সে। এ সময় তিনি ক্যারিয়ারে যথেষ্ট সাফল্য পান। তার এ সাফল্যই পরবর্তী সময়ে আরও উন্নতি করতে অনুপ্রেরণা যোগায়।
তিনি জানান, এক্ষেত্রে মানসিক সন্তুষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনি যদি এক্ষেত্রে সন্তুষ্ট না হন তাহলে তা খুব ভালো কোনো ফলাফল নিয়ে আসবে না। তিনি বলেন, ‘এখানে শেষ বলে কোনো বিষয় নেই।’
আইভি বলেন, ‘এটি অনেকটা দীর্ঘ যাত্রার মতো। আর আপনি যখন এ বিষয়টি বুঝতে পারবেন তখন আপনি সে যাত্রাপথ তৈরি করতে পারবেন।’
গুগলের এ গোপন প্রকল্পটির দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়টি পাঁচ বছর আগে তিনি কোনো ধারণাই করতে পারেননি। কিন্তু তার এ দুটি প্রশ্নের উত্তরই তাকে এ পর্যায়ে নিয়ে আসে।


Friday, 5 August 2016

Factory view of KIAM Metal Industries Ltd.




 Main Gate




 Office Building








Re Rolling Mill

Night View


General Manager